শত্রুকে বশ করার আমল
Author: S. M. Masud | Published on: {{Date}}
اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، كُنْ لِّيْ جَارًا مِّنْ فُلَانِ بْنِ فُلَانٍ، وَاَحْزَابِهِ مِنْ خَلَاۤئِقِكَ، اَنْ يَّفْرُطَ عَلَيَّ اَحَدٌ مِّنْهُمْ اَوْ يَطْغٰى، عَزَّ جَارُكَ، وَجَلَّ ثَنَاۤؤُكَ، وَلَآ اِلٰهَ اِلَّآ اَنْتَ
হে আল্লাহ, সাত আসমানের রব্ব! মহান আরশের রব্ব! আপনার সৃষ্টিকুলের মধ্য থেকে অমুকের পুত্র অমুকের বিপক্ষে এবং তার বাহিনীর বিরুদ্ধে আপনি আমার আশ্রয়দানকারী হোন; যাতে তাদের কেউ আমার উপর দ্রুত আক্রমণ বা সীমালঙ্ঘন করতে না পারে। আপনার আশ্রিত তো শক্তিশালী, আপনার প্রশংসা তো অতি মহান। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।
আল্লা-হুম্মা রব্বাস্ সামা-ওয়া-তিস সাব‘ঈ, ওয়া রব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম। কুন লী জারান মিন্ ফুলানিবনি ফুলানিন, ওয়া আহযাবিহী মিন খালা-য়েক্বিকা, আঁই ইয়াফরুত্বা ‘আলাইয়্যা আহাদুম মিনহুম আও ইয়াত্বগা, আয্যা জা-রুকা, ওয়া জাল্লা সানা-উকা, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লা আনতা
বুখারী, আল-আদাব আল-মুফরাদ, নং ৭১২ আর শাইখ আলবানী সহীহ আল-আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে, নং ৫৪৫, একে সহীহ বলেছেন।
দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দো‘আ
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْٓ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ
হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।
আল্লা-হুম্মা ইন্নি আ‘ঊযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়াল ‘আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালা‘ইদ দ্বাইনে ওয়া গালাবাতির রিজা-লি
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দো‘আটি বেশি বেশি করতেন।
বুখারী, ৭/১৫৮, নং ২৮৯৩; আরও দেখুন, বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১৭৩;
শত্রুর উপর বদ-দো‘আ
اَللّٰهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيْعَ الْحِسَابِ، اِهْزِمِ الْاَحْزَابَ، اَللّٰهُمَّ اهْزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ
হে আল্লাহ, কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রুবাহিনীকে পরাভূত করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করে দিন।
আল্লা-হুম্মা মুনযিলাল কিতা-বি সারী‘আল হিসা-বি ইহযিমিল আহযা-ব। আল্লা-হুম্মাহযিমহুম ওয়া যালযিলহুম
মুসলিম, ৩/১৩৬২, নং ১৭৪২।
রিযিক প্রার্থনা
رَبَّنَآ اَنْزِلْ عَلَيْنَا مَاۤىٕدَةً مِّنَ السَّمَاۤءِ تَكُوْنُ لَـنَا عِيْدًا لِّاَوَّلِنَا وَاٰخِرِنَا وَاٰيَةً مِّنْكَۚ وَارْزُقْنَا وَاَنْتَ خَيْرُ الرّٰزِقِيْنَ
হে আমাদের রব, আসমান থেকে আমাদের প্রতি খাবারপূর্ণ দস্তরখান নাযিল করুন; এটা আমাদের জন্য ঈদ হবে। আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তীদের জন্য। আর আপনার পক্ষ থেকে এক নিদর্শন হবে। আর আমাদেরকে রিযিক দান করুন, আপনিই শ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা।
রব্বানা য় আন্যিল্ ‘আলাইনা- মা - য়িদাতাম্ মিনাস্ সামা - য়ি তাকূনু লানা-‘ঈদাল্ লিআওয়্যালিনা-অ আ-খিরিনা-অ আ-ইয়াতাম্ মিন্কা, অরযুক্ব না-অ আন্তা খাইর্রু রা-যিক্বীন্।
দোয়ার প্রেক্ষাপট: আল্লাহর দরবারে হযরত ঈসা (আ.)-এর প্রার্থনা।
সূরা আল মায়েদাহ - ৫:১১৪।
🛡️ শত্রুর অনিষ্ট থেকে রক্ষার দোয়া
📖 আরবি দোয়া
اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ، وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ
🔤 বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহুম্মা ইন্না নাজ‘আলুকা ফী নুহূরিহিম,
ওয়া না‘ঊযু বিকা মিন শুরূরিহিম।
🌿 অর্থ
হে আল্লাহ!
আমরা আপনাকেই তাদের (শত্রুদের) মোকাবিলায় আমাদের জন্য যথেষ্ট মনে করি,
এবং আমরা তাদের সব ধরনের অনিষ্ট ও ক্ষতি থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
📜 হাদীসের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব
এই দোয়াটি রাসূলুল্লাহ ﷺ শত্রুর ভয়, জুলুম বা ক্ষতির আশঙ্কার সময় পড়তেন।
বিশেষ করে—
যখন শত্রু আক্রমণের আশঙ্কা হতো
যখন কেউ ষড়যন্ত্র, অপবাদ বা অন্যায় ক্ষতির পরিকল্পনা করত
যখন নিজের শক্তি ও সামর্থ্য দিয়ে রক্ষা সম্ভব নয় মনে হতো
তখন এই দোয়ার মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিষয় আল্লাহর ওপর সোপর্দ করে দেওয়া হয়।
এর মর্মার্থ হলো—
“হে আল্লাহ, আমরা নিজের শক্তিতে নয়, আপনার শক্তিতেই ভরসা করছি।”
🤲 কখন ও কীভাবে পড়বেন
শত্রুর ভয় বা ক্ষতির আশঙ্কায়
কারো জুলুম, হিংসা, ষড়যন্ত্র, অপবাদ থেকে বাঁচতে
নামাজের পর, দোয়ার সময়, অথবা যে কোনো মুহূর্তে
একবার বা একাধিকবার, প্রয়োজন অনুযায়ী
👉 এটি পড়ার সময় অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে যে রক্ষাকারী একমাত্র আল্লাহ।
🌸 আমলের শিক্ষা
প্রতিশোধ নয়, আল্লাহর কাছে ন্যায়বিচার চাওয়া
নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে আল্লাহর ওপর ভরসা
শত্রুর ক্ষতি থেকেও ঈমানের সঙ্গে নিরাপদ থাকা
✍️ Author: S. M. Masud | Source: NewsBD1964
Comments
Post a Comment
🌐 newsbd1964 – নির্ভরযোগ্য খবর ও তথ্যের ভরসাস্থল
আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে সত্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এই বাস্তবতায় newsbd1964 গড়ে উঠেছে এক বিশ্বাসযোগ্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, যেখানে পাঠক পান বাংলাদেশ ও বিশ্বের সাম্প্রতিক খবর, সমাজ, শিক্ষা, ইতিহাস ও জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে যাচাই করা তথ্য ও বিশ্লেষণ।
আমাদের লক্ষ্য একটাই—পাঠকদের সামনে সত্য তুলে ধরা, কিন্তু সংবেদনশীলতা ও মানবিকতা বজায় রেখে। আমরা বিশ্বাস করি, সচেতন নাগরিকই সমাজের পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি। তাই newsbd1964 কেবল খবর প্রকাশ করে না; বরং প্রতিটি বিষয়ের পেছনের বাস্তবতা ও প্রভাব বিশ্লেষণ করে পাঠকদের চিন্তা করার সুযোগ করে দেয়।
সমাজ বিষয়ক রিপোর্টে আমরা তুলে ধরি মানুষের জীবনের বাস্তব চিত্র, তাদের সাফল্য ও সংগ্রামের গল্প। শিক্ষা বিভাগে থাকে নতুন প্রজন্মের জন্য দিকনির্দেশনা, পরীক্ষার আপডেট, ক্যারিয়ার পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের খবর। ইতিহাস বিভাগে পাঠকরা খুঁজে পান অতীতের অজানা অধ্যায়—যা বর্তমানকে বুঝতে সাহায্য করে। আর জীবনধারা বিভাগে থাকে স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, সম্পর্ক, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের নানা টিপস, যা প্রতিদিনের জীবনকে আরও সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ করে তোলে।
আমরা খবর সংগ্রহ করি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এবং প্রকাশের আগে যাচাই করি তথ্যের সত্যতা। গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে দূরে থেকে newsbd1964 সবসময় দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রতিশ্রুতি পালন করে।
বর্তমান যুগে যখন অনেক ওয়েবসাইট ক্লিক ও ভিউয়ের প্রতিযোগিতায় সত্যকে আড়াল করে, তখন newsbd1964 দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—বিশ্বাসই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই আমাদের প্রতিটি প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ ও ফিচার লেখার পেছনে থাকে একটি উদ্দেশ্য—পাঠক যেন সত্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পান, এবং সেটি যেন সহজ ভাষায় সবার কাছে পৌঁছে যায়।
আপনি যদি জানতে চান বাংলাদেশ ও বিশ্বের সাম্প্রতিক খবর, সমাজের চলমান প্রবণতা, শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন দিকনির্দেশনা, কিংবা অতীতের ইতিহাস ও জীবনধারার বাস্তব অভিজ্ঞতা—তাহলে newsbd1964 হবে আপনার প্রতিদিনের জ্ঞানের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।